ছাত্র আন্দোলনে ‘উসকানি’, ৫১ মামলায় গ্রেপ্তার ৯৭


প্রকাশিত হয়েছে: আগস্ট ১৫, ২০১৮ , ১০:৪১ অপরাহ্ণ | আপডেট: আগস্ট ১৫, ২০১৮, ১০:৪১ অপরাহ্ণ

শহীদ রমিজ উদ্দীন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উসকানির অভিযোগে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ৫১টি মামলা হয়েছে।

এসব মামলায় আজ বুধবার পর্যন্ত ৯৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর মধ্যে দণ্ডবিধি ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা ৪৩ মামলায় ৮১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, রমনা বিভাগে ১৪টি মামলা করা হয় এবং ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। যার মধ্যে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা হয় ১০টি। যেখানে গ্রেপ্তার করা হয় ২০ জনকে এবং ৮৪ জনকে আসামি করে করা চারটি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় ১১ জনকে। ১৪টি মামলার মধ্যে ১৩টির তদন্ত করছে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ এবং একটি মামলা তদন্ত করছে ডিবি পুলিশ।

লালবাগ বিভাগে একজনসহ অজ্ঞাতনামা ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ওয়ারী বিভাগে মামলা হয়েছে দুটি। অজ্ঞাতনামা ৩৫০ থেকে ৪৫০ জনকে আসামি করে করা দুই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে একজনকে। মতিঝিল বিভাগে অজ্ঞাতনামা আসামি করে ছয়টি মামলা করা হয়েছে। ছয়টি মামলায় ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তেজগাঁও বিভাগে ছয় জনকে আসামি করে দুটি মামলা করা হয়েছে। যার মধ্যে দুই জন এজাহারনামীয় সহ আরও ছয় জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মিরপুর বিভাগের মিরপুর মডেল থানায় বিইউবিটি ইউনিভার্সিটি ও কমার্স কলেজসহ অন্যান্য কলেজের অজ্ঞাতনামা ৫০০ থেকে ৬০০ জন ছাত্র-শিক্ষককে আসামি করে একটি মামলা, অজ্ঞাতনামা ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করে কাফরুল থানায় একটি মামলা এবং ৯৬ জনকে আসামি করে আরও তিনটিসহ পাঁচটি মামলা করা হয়েছে।

গুলশান বিভাগে অজ্ঞাতনামা দুই হাজার থেকে দুই হাজার ৪৫০ জনকে আসামি করে সাতটি মামলা এবং ৩১ জনকে আসামি করে আরও দুটি মামলাসহ নয়টি মামলায় ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

উত্তরা বিভাগে অজ্ঞাতনামা ১০০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করে তিনটি মামলা এবং ১১৩ জনসহ অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে একটি মামলাসহ চারটি মামলায় তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এছাড়াও তথ্য ও প্রযুক্তি আইনে ২৯ জনকে আসামি করে দায়ের করা আটটি মামলায় ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আটটি মামলার মধ্যে চারটি মামলা ডিএমপির সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম বিভাগ, একটি ডিবি পুলিশ এবং একটি থানা পুলিশ তদন্ত করছে।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *