বর্জ্য থাকলে কল সেন্টারে ফোন দিন: সাঈদ খোকন


বর্জ্য অপসারণের উদ্বোধন করেন মেয়র সাঈদ খোকন

২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় কোরবানি পশুর বর্জ্য অপসারণ করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। একইসঙ্গে তিনি কোথাও কোনও বর্জ্য পড়ে থাকলে করপোরেশনের নির্ধারিত কল সেন্টারে ফোন (নম্বর ০৯৬১১০০০৯৯৯) দিতে নগরবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ধোলাইখালের কাউয়ারটেক পশুর হাটে কোরবানি পশুর বর্জ্য অপসারণ কাজের উদ্বোধনের সময় তিনি এসব কথা বলেন।
মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেন, ‘আমি নগরবাসীর কাছে আবেদন জানাতে চাই, আপনারা নির্ধারিত স্থানে কোরবানি করুন। কোরবানির পর পশুর রক্ত পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। আমরা ইতোমধ্যে ব্লিচিং পাউডার আপনাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছি। সেই ব্লিচিং পাউডার দিয়ে পশু জবাই দেওয়ার স্থান ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। আমরা করপোরেশন থেকে ব্যাগ সরবরাহ করেছি। কোরবানি পশুর বর্জ্য সেই ব্যাগে ভর্তি করে ময়লার কন্টেইনারে ফেলবেন। আপনাদের সচেতনতা ও সার্বিক সহযোগিতায় ইনশাল্লাহ আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানি পশুর বর্জ্য অপসারণ করে পরিচ্ছন্ন নগরী ঢাকাবাসীকে উপহার দিতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘যদি আমাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও পাড়া-মহল্লায় যদি কোরবানি পশুর বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখা যায় তাহলে আপনারা আমাদের কল সেন্টারে ফোন দেবেন।’
মেয়র বলেন, ‘গতবছর আমরা প্রায় ২০ হাজার টন বর্জ্য অপসারণ করেছি। এবারও সম পরিমাণ বর্জ্য অপসারণ করার জন্য আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি রয়েছে। দুই সিটি করপোরেশন ঘোষিত সময়ের মধ্যে আমরা একটি পরিচ্ছন্ন নগরী উপহার দেবো।’
সাঈদ খোকন বলেন, ‘আমাদের একটি বিষয় আছে, বিশেষ করে পুরানো ঢাকায় দ্বিতীয় দিনও কোরবানি হয়। এ হিসাবে আমরা ধরে নিই ৯৫ শতাংশ বর্জ্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ করে ফেলবো। বাকি পাঁচ শতাংশ বর্জ্য আমরা তাৎক্ষণিকভাবে অপসারণ করবো। তৃতীয় দিনের কোরবানির জন্যও আমরা প্রস্তুত থাকবো। যতক্ষণ না পর্যন্ত আমাদের শহর পরিচ্ছন্ন না হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের কার্যক্রম চলবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা প্রায় ৬০২টির মতো নির্ধারিত স্থান করে দিয়েছি। পর্যাপ্ত ব্যবস্থাপনাও ছিল। কিন্তু এ পর্যন্ত আমরা সেইভাবে নগরবাসীর সাহায্য পাইনি। আমরা তারপরও সম্মানিত নাগরিকদের অনুরোধ জানাচ্ছি আমাদের ব্যবস্থাপনা রয়েছে আপনার নির্ধারিত স্থানে পশু জবাই দিন।’
কোরবানি পশুর অনেক বর্জ্য ড্রেন ও নর্দমায় ফেলা হয়। এ বিষয়ে কী করা হবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের বাজাবে মেয়র বলেন বলেন, ‘আমাদের পর্যাপ্ত ইকুইপমেন্ট রয়েছে। যেসব স্থানে ড্রেন বা নর্দমায় বর্জ্য ফেলা হয়েছে সেগুলোও পরিষ্কার করা হবে।’
এসময় মেয়রের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মো. বিলাল, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শেখ মো. সালাহউদ্দিন প্রমুখ।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *