রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে আট মাসে ৩১ খুন


রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে আট মাসে ৩১ খুন

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি

পাহাড়ে আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি, খুন, অপহরণসহ নানা অপরাধ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। দীর্ঘদিন অস্ত্র বিরতি থাকার পর পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠনগুলো আবারো ভ্রাতৃঘাতি সংঘাতে লিপ্ত হয়েছে। তিন পার্বত্য জেলার শুধুমাত্র রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় ৮ মাসে ৩১ জন নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ নিহত হয়েছে। হত্যাচেষ্টা করা হয়েছে ১৫ জনকে। অপহৃত হয়েছেন ইউপিডিএফের দুই নারীনেত্রীসহ অন্তত ৪০ জন। পাহাড়ের সাধারণ মানুষের মাঝে এখন আতংক বিরাজ করছে। 

সর্বশেষ গত ১৮ আগস্ট খাগড়াছড়ির স্বনির্ভর এলাকায় বন্দুকযুদ্ধে ৬ জন নিহত ৩ জন আহত এবং দুপুর ১২টায় প্রতিবাদ মিছিলের উপর গুলি বর্ষণে ১ জন নিহত ও ৩ জন আহত হয়েছে। 

২০১৬ সালে পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর মাঝে অলিখিত সমঝোতায়, বেশকিছু দিন বন্ধ ছিলো হত্যা-সংঘর্ষ। তবে গত ডিসেম্বর থেকে আবারও অশান্ত হয়ে উঠে পাহাড়। দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর মাঝে অস্ত্রের মহড়ায় সংগঠনের নেতাকর্মীরা খুন হলেও এখন সংঘর্ষে প্রাণ দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকেও। এলোপাতাড়ি গুলি বর্ষণের ফলে অকালেই ঝড়ে যাচ্ছে প্রাণ। 

চলতি বছর ২০১৮ সালে জানুয়ারিতে একজন, ফেব্রুয়ারিতে দুইজন, মার্চ একজন, এপ্রিল চারজন, মে ১০ জন, জুনে পাঁচজন, জুলাই একজন ও আগস্টে সাতজন হত্যার শিকার হয়েছে। 

রাঙ্গামাটির পুলিশ সুপার মো. আলমগীর কবির বলেছেন, খাগড়াছড়ির ঘটনার রেশ যাতে করে রাঙ্গামাটিতে ঘটতে না পারে সেলক্ষ্যে আমরা পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ টহল জোরদার করেছি। গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পোশাকি সদস্যদের উপস্থিতি ব্যাপকহারে বৃদ্ধি করা হয়েছে। 

এক প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার জানান, আমরা শনিবারের ঘটনার পরপরই নানিয়ারচর, কুতুকছড়ি, মহালছড়ির সীমান্তে রেকি করেছি। সার্বিক পরিস্থিতি মোকাবেলা সম্ভাব্য সকল রকমের প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন পুলিশ সুপার। 

রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. মুছা মাতব্বর বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের যে অবৈধ অস্ত্রের সংঘাত চলছে তা আমরা কখনোই কামনা করি না। পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠনগুলো অবৈধ অস্ত্র দিয়ে পাহাড়ের শান্তিপ্রিয় মানুষগুলোকে জিম্মি করে রেখেছে। 

বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের সাবেক সদস্য নিরূপা দেওয়ান বলেন, এই ধনের সংঘাত আমরা কখনোই কামনা করি না। যারাই এই ধরনের কর্মকাণ্ড করছে তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, নিজেদের মধ্যে সংঘাত জিয়ে রেখে কখনোই শান্তি সম্ভব নয়। যারাই এগুলো করছেন আগামীতে যাতে এইগুলো না ঘটে তার জন্য তাদেরকেও ওয়াদাবদ্ধ হতে হবে। 

ইত্তেফাক/জেডএইচ

(function() {
var referer=””;try{if(referer=document.referrer,”undefined”==typeof referer)throw”undefined”}catch(exception){referer=document.location.href,(“”==referer||”undefined”==typeof referer)&&(referer=document.URL)}referer=referer.substr(0,700);
var rcel = document.createElement(“script”);
rcel.id = ‘rc_’ + Math.floor(Math.random() * 1000);
rcel.type = ‘text/javascript’;
rcel.src = “http://trends.revcontent.com/serve.js.php?w=75227&t=”+rcel.id+”&c=”+(new Date()).getTime()+”&width=”+(window.outerWidth || document.documentElement.clientWidth)+”&referer=”+referer;
rcel.async = true;
var rcds = document.getElementById(“rcjsload_83982d”); rcds.appendChild(rcel);
})();

© ittefaq.com.bd



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *