[HACKING] ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক নিয়ে এথিক্যাল হ্যাকিং ফ্রী কোর্স শেষ Part: ৪ – Trickbd.com


ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক কি

ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক হচ্ছে রেডিও ওয়েভ দিয়ে পরিচালিত নেটওয়ার্ক। এটা মূলত বাকি ১০ টা ল্যান কানেকশনের মতই কিন্তু এখানে তারের বদলে একাধিক কম্পিউটার রেডিও ওয়েভের মাধ্যমে কানেক্টেড হয়ে থাকে। এখানে কম্পিউটার বলতে আপনি মোবাইলকে ধরতে পারেন আবার আপনার কম্পিউটার কেও ধরতে পারেন। কিন্তু একে অপরের সাথে কানেক্ট হতে চাইলে আপনাকে কোন মাধ্যমের সাহায্য নিতে হবে যেমন ধরুন ওয়াইফাই রাউটার, আপনাকে ইন্টারনেটের সাথে কানেক্ট হতে হলে রাউটারের সাথে আগে কানেক্ট হবে তার পরে আপনি ইন্টারনেটে কানেক্ট হতে পারবেন। তো বুঝতে পেরেছেন হইতো এখন আসি পরের কথায়, আপনার মাথায় প্রশ্ন আসতে পারে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কেও কি LAN, PAN, WAN, MAN আছে কি না?

হ্যা, বন্ধুরা আছে। আপনাকে বুঝতে হবে ওয়্যারলেস শুধু মাত্র একটি নেটওয়ার্ক সিস্টেম। সাধারণ ইথারনেট কানেকশন বা ক্যবল কানেকশন যেভাবে কানেক্টেড হয়, ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক সেভাবে কানেক্টেড হয় না। পার্থক্য শুধুমাত্ত্র এই জায়গাতেই আর কিছু না।ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কেরও রয়েছে LAN, PAN, WAN, MAN।

আসুন জেনে সংক্ষেপে জেনে নিই এই গুলো সম্পর্কেঃ ওয়্যালেস নেটওয়ার্ক কি!

ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা WLAN

WLAN নিয়ে আলোচনা করার আগে আমি বলে রাখি, এটা নিয়ে শুধু এটা নিয়েই না বাকি সকল নেটওয়ার্ক গুলো নিয়ে আমি বিস্তারিত আলোচনা করবো না, কেননা, এই গুলো নিয়ে এর আগে আলোচনা করা আছে। WLAN বুঝার আগে আপনাকে বুঝতে হবে LAN কি?

একাধিক কম্পিউটার কোন ক্যাবলের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত হয়ে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করে সেটাই ল্যান। কিন্তু আপনার মাথায় প্রশ্ন আসতে পারে তাহলে আমরা ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করি সেটাও তো ল্যান লাইনের মাধ্যমে আমাদের ইন্টারনেট দিয়ে থাকে। ঠিক তখনি আপনার মাথা চন্দ্রবিন্দু হয়ে যায়, কিন্তু এখানে চিন্তা করার কিছুই নেই। আপনি শুধু ঠান্ডা মাথায় একটু ভাবুন আপনি যেই কম্পিউটার ব্যবহার করছেন তার একটা প্রাইভেট আইপি আছে কিন্তু ইন্টারনেটে আপনার আইপি চেক করলে কেন অন্য আইপি দেখায়? কেননা আপনার আইপি হিসাবে তখন কাউন্ট করা হয় আপনার আইএসপির আইপি টাকে এর মানে আপনার প্রাইভেট আইপি টা হাইড হয়ে গেছে কিন্তু কেন? এবার আরেকটু ভাবুন তো আপনি শুধু আপনার আইএসপি থেকে কানেকশন নিয়েছে? নাহ আরো অনেকেই নিয়েছে সবার কিন্তু একই সম্যসা দেখা দিচ্ছে কিন্তু কেন কেন কেন?

ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক কি

এর কারণ হচ্ছে আপনি কিন্তু লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের মাঝেই আছেন কিন্তু সেটা আপনার আইএসপির সাপেক্ষে। আপনার কম্পিউটার আমার কম্পিউটার, সিয়াম ভাই এর কম্পিউটার সবার যদি একটি কম্পিউটারের সাথে কানেক্ট থাকে তাহলে তো সেটা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক হবে। আর যেই কম্পিউটার থেকে আপনাদের নিয়ত্রন করা হয়  সেই কম্পিউটার টা থাকে আপনার আইএসপির কাছে। ঠিক এই কারনে আপনার আইএসপির এফটিপি সার্ভার থেকে ডাওনলোড করলে অনেক ভাল স্পিড পেয়ে থাকেন যা আপনি ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত অন্য কম্পিউটার থেকে পাবেন না। কিন্তু আপনি যখন অন্য কম্পিউটারে ঢুকতে যাচ্ছেন অব্যশই সেটা হতে হবে আপনার লোকাল এরিয়ার বাইরে 😀 তখন আপনি ঢুকছেন আপনার আইএসপির কম্পিউটারের সাহায্য নিয়ে আর ঠিক এই কারনেই আপনার আইপি হিসাবে আপনার প্রাইভেট আইপি দেখায় না।

অনেক কথা হয়েছে ভাই আর না এবার আসি WLAN এর কথায়। কি এটা কি আপনাকে বুঝানো লাগবে? বুঝেন নাই বেপার টা? তাহলে আসেন আবার বুঝায় আর যদি আগেই বুঝে থাকেন থাহলে আপনি আরেকবার বুঝে নেন বুঝতে গেলে আমরা কোন টাকা নিনা :p

আসলে LAN এর ব্যপারে যা যা বলেছি আপনি শুধু সেটাকে একটু পরির্বতন করে ভাবুন। ল্যানে আপনি ব্যবহার করতেন ক্যাবল কিন্তু WLAN আপনি ব্যবহার করছেন রেডিও ওয়েভ। এবার ভাবতে পারেন তাহলে আপনার কম্পিউটার হবে যেটা সব কিছু নিয়ত্রন করবে। আরে ভাই আছে না রাউটার, রাউটারের কাজ টাই তো এটা। এটা আপনাকে রেডিও ছড়িয়ে কানেক্ট করে নিবে আবার আপনার সকল কিছু নিয়ত্রন করেবে। যদি এর পরেও না বুঝেন তাহলে সব থেকে ভাল উদাহরন ভাই আপনি কি মিনি মিলিশিয়া খেলেছেন? যদি খেলে থাকেন তাহলে আপনি কি করেন আপনার আরো বন্ধুর সাথে একসাথে বসে আপনার মোবাইল থেকে সাবাই কে কানেক্ট করে নিয়ে খেলা শুরু করে দিলেন। কিন্তু ভেবে দেখুন আপনি কানেক্ট হয়েছেন কোথায়? কিভাবে? আপনি কানেক্ট হয়েছেন রেডিও ওয়েভের মাধ্যমে আর আর আপনি কানেক্ট হয়েছেন আপনার বন্ধুদের সাথে। এর অর্থ আপনি WLAN কানেক্ট করে নিয়েছেন। শুধু কি তাই আপনার ফোনটা একই সাথে রাউটারের কাজ টাও করে ফেলছে।

একটা কথা আমি জানি আপনার মাথায় অনেক চিন্তা ও অনেক প্রশ্ন আসবে LAN ও WLAN নিয়ে আরো আলোচনা করা হবে। কিন্তু বেসিক পর্বে এত কিছু আলোচনা করলে আপনি কিছুই বুঝতে পারবেন না। তাই এবার যায় পরের কাহিনিতে। 😀

ওয়্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক ( WMAN )

আপনারা হয়তো বুঝতে পেরেছেন WMAN বলতে আমি কি বুঝাতে চেয়েছি? সহজ কথায় WMAN হচ্ছে MAN এর ওয়ারলেস ভার্সন, MAN নেটওয়ার্কে যেখানে তার বা ক্যাবল ব্যবহার করা হত WMAN এ ওয়্যারলেস মানে রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করা হয়।এই খানেও আপনাকে যদি WMAN নেটওয়ার্ক কে বুঝতে হয় আপনাকে তার আগে MAN নেটওয়্যার্কে বুঝতে হবে। MAN হচ্ছে মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক যদি এখানে মেট্রপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক বলতে বুঝানো হয়েছে অনেক গুলো ল্যান লাইনকে এক সাথে সংযোগ করে  নতুন ইন্টারফেস দেয়া। যেমন আমি কুষ্টিয়া শহরে থাকি এবার এবার আমার শহরের বিভিন্ন স্থানে ল্যান সংযোগ লাগানো হয়েছে, এখন সব গুলো লাইন আমাদের কুষ্টিয়া শহর কভার করে ফেলেছে। এখন এটাই হচ্ছে মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক। তবে এর সব থেকে বড় উদাহরণ হিসাবে আপনি ধরতে পারেন আপনার ব্রডব্যান্ড কম্পানিকে। এবার আপনি যদি আপনার শহরকে কভার করতে অনেক গুলো ল্যান লাইন কে ওয়্যারলেসের সাথে কানেক্ট করে অনেক যায়গাই স্থাপন করেন এবং সেটার মাধ্যমে আপনি পুরো শহর কভার করেন তবে সেটা হচ্ছে ওয়্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক। 😀

এথিক্যাল হ্যাকিং ফ্রী কোর্সঃ পর্ব ৪

পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN)

নাম শুনেই হয়তো বুঝতে পেরেছেন PAN আসলে কেমন হতে পরে! হা, ঠিকি ধরেছেন PAN মূলত পার্সোনাল কাজের জন্য ব্যবহার করা নেটওয়ার্ক। এবার আপনি বলতে পারেন ভাই আপনি এই খানে PAN বলেছেন কিন্ত WPAN বলেন নি কেন? আসলে ভাই PAN বলতে গেলে মূলত ওয়্যারলেসের ব্যাপার টাই আসে, তাছাড়া এই ব্যাপার টা নিয়ে হয়তো অনেকেই জানেন না তাই আলাদা করে কিছু লিখি নাই। PAN এর বড় উদাহরন হিসাবে আপনি ধরে নিতে পারেন আপনার মোবাইলের হট স্পটকে। যেখানে আপনি আপনার মোবাইল দিয়ে ওয়েভ ছড়াচ্ছেন এবং আপনার নেটওয়ার্কের আওতাই আরো অনেকে আছে। তবে একটা বিষয় জেনে রাখুন PAN নেটওয়ার্ক কিন্তু LAN নেটওয়ার্কের ক্ষুর্দ সংস্করন। কেননা PAN নেটওয়ার্ক বানাতে গেলে নিশ্চিত ভাবে আপনাকে LAN বা WLAN বানানো লাগবেন। আশাকরি বুঝতে পেরেছেন। 🙂

ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার (VPN)

নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে এই নামটা অনেক আগে থেকেই শুনে এসেছি আমরা, এনেকেই হইতো অনেক কাজেই এটাকে সফটওয়্যার হিসাবে ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু এটা কোন সফটওয়্যার না এটা মূলত হচ্ছে একটা নেটওয়ার্ক। আসুন তাহলে একটু বুঝে নিই, VPN মূলত সার্ভার কেন্দ্রিক নেটওয়ার্ক (সার্ভার কথাটি বোঝানোর জন্য বলা হয়েছে)। এখন সার্ভার টা কি? সার্ভার বলতে এখানে বোঝানো হয়েছে অন্য কোন স্থানে রাখা কম্পিউটার। এর আসলে কোন শরীরি অবস্থান নেই কিন্তু পৃথিবীর অনেক স্থান থেকে অনেকেই এই সার্ভারের সাথে যুক্ত হতে পারে। এটাকে অনেক ক্ষেত্রে EPN বা Enterprise Private Network বলা হয়ে থাকে কেননা অনেক ক্ষেত্রে অনেকে এটাকে ক্রয় করে ব্যবহার করে থাকেন।

হোম রাউটার কমপ্লিট সেটআপ

অনেকে এটা একটি অহেতুক লেখা হিসাবে ধরে নিতে পারেন কিন্তু বিশ্বাস করুন আপনি এটাকে অহেতুক ভাবলেও এটা অহেতুক না। আপনি যদি নিজের সিকিউরিটি নিজে দিতে না পারেন তাহলে আপনি তো এথিক্যাল হ্যাকার হতে পারবেন না। তাছাড়া শুধু মাত্ত্র রাউটার হ্যাক করেই আপনি অনেক কিছু হ্যাক করার সামর্থ রাখেন। বিস্তারিত ভাবে আপনাদের আস্তে আস্তে শেখানো হবে। তাহলে চলুন জেনে নিই কিভাবে হোম রাউটার কমপ্লিট ভাবে সেট আপ করবেন।

বেসিক কনফিগারেশন ও কানেকশন

বেসিক কনফিগারশন বলতে এই ধাপে আপনি জানবেন কিভাবে রাউটার টা কানেকশন করানো হয় ও সাধারণ কনফিগারেশন। তাহলে চলুন জেনে নিই

১। প্রথমে আপনার রাউটার টা ল্যান লাইনের সাথে সংযুক্ত করুন।

২। এবার আপনার রাউটারের পেছনে দেখেন কিছু পোর্ট বা হাব আছে সেই গুলোর সাথে আপনার ইথারনেট কেবল টা যুক্ত করুন এবং সেটা আপনার কম্পিউটারের ল্যান পোর্টের সাথে যংযুক্ত করুন। যদি কেও ইথারনেট ক্য্যাবল ব্যবহার করতে না চান সেই ক্ষেত্রে আপনি আপনার রাউটারের বক্সে বা রাউটের পেছনে দেখুন একটা পাসওয়ার্ড দেয়া আছে। এবার আপনি আপনার ওয়াই-ফাই টা সেই পাসওয়ার্ড দিয়ে কানেক্ট করুন। যদিও কিছু কিছু রাউটারের অটমেটিক ভাবে কানেকশন নিয়ে নেই।

৩। এবার আপনার কম্পিউটারের বা মোবাইল ডিভাইসের যেকোন ব্রাউজারে গিয়ে 192.168.1.1 অথবা 192.168.0.1 এই আইপি ঢুকুন। এইটা হচ্ছে আপনার লোকাল আইপি প্রায় সকল রাউটারে এইটাই ডিফল্ট হিসাবে থাকে।

৪। আপনার সামনে একটি ওপরের মত একটা পেজ মানে লগইন পেজ ডিফল্ট ইউজার নেম পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। যেহেতু আমি টিপি-লিঙ্ক রাউটার ব্যবহার করি সেহেতু আমার ডিফল্ট ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড হচ্ছে admin:admin । কিন্তু সকল কোম্পানির রাউটারের ডিফল্ট ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড একই না। সেটা জানার জন্য আপনি আপনার রাউটারের ইন্সট্রাকশন বই টা একটু পড়ে নিন সেখানে দেওয়া আছে। যদি ৮০% ওয়াই-ফাই ব্যবহার কারী টিপি-লিঙ্ক ব্যবহার করে। 😀

৫। আপনি এবার ওপরের মত একটা পেজ পাবেন যদিও সব রাউটারে একই ইন্টারফেস না কিন্তু নিয়ম প্রায় সকল রাউটারের একই। এবার আপনি Quick Setup পেজে ক্লিক করুন। তাহলে আপনি নতুন পেজে ঢুকে যাবেন।

৬। এবার আপনি ওপরের মত একতা পেজ পাবেন, যদি প্রথম স্টেপে না পান তবে Next করবার কোন অপশন থাকতে পারে। যাই হোক আপনি এই পেজে ঢুকার পরে আপনি Auto-Detection ক্লিক করে Next এ ক্লিক করুন। কেননা আপনি যদি না জেনে থাকেন আপনার টা কি কানেকশন তবে এটা আপনাকে অটোমেটিক সেট আপ পেজে নিয়ে যাবে। যদি আপনার WAN কানেকশনটি PPPoE কানেকশন হয় তবে আপনি এমন একটা পেজ পাবেন। এবার আপনার ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে আপনি লগইন করে ফেলুন। যদি আপনি এটা না জানেন তবে আপনার আইএসপির সাথে যোগাযোগ করে ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড নিয়ে নিন।

যদি আপনার Static IP বা Real Ip  হয় তবে আপনার নিচের মত এমন পেজ আসবে, সেইখানে আপনার আইপি এন্ড্রেস ও গেটওয়ে মাস্ক সব কিছু বসিয়ে সেভ করিয়ে দিন। এই গুলো আপনি আপনার আইএসপি কোম্পানির কাছে থেকে নিয়ে নিবেন।

ওয়াই-ফাই সেট আপ

যেহেতু আপনি ওয়াই-ফাই চালাবেন তাই রাউটার কিনেছেন এখন তো আপনাকে ওয়াই-ফাই সেট আপ করতে হবে। আসুন দেখে নিই কিভাবে ওয়াই-ফাই সেট আপ করবেন।

১। প্রথমে আপনি Wireless বা Wireless Settings এ যাবেন, সেই খানে থেকে আপনি আপনার SSID বা আপনার ওয়াই-ফাই এর নাম দিবেন ও আপনার password Create করুন।

২। ওয়াই-ফাই এর পাসওয়ার্ড ইনক্রিপশন হিসাবে অব্যশয় WPA-PSK/WPA2-PSK সিলেক্ট করে দিন। কেননা এটাই হচ্ছে সব থেকে আপডেট ওয়াই-ফাই ইনক্রিপশন ফরমেট।

কিভাবে আপনার ওয়াই-ফাইকে আরো সিকিউর করবেন

নিরাপত্তা বা সিকিউরিটি হচ্ছে সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, কেননা আপনি যদি আপনার ওয়াই-ফাইকে যথেষ্ঠ সিকিউরিটি না দিতে পারেন আপনার ওয়াই-ফাই যেকোন সময় হ্যাক হবার সম্ভাবনা থেকে যায়। তাহলে আপনি আর কি করতে পারেন আপনার ওয়াই-ফাই কে নিরাপদ রাখতে?

টেনশন নিবেন না, ওয়্যারবিডি আছে আপনার পাশে। 😀

১। আমাদের সব থেকে বড় যে ভুল টা করে থাকি সেটা হচ্ছে আমাদের রাউটারের ডিফল্ট ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড আমরা পরিবর্তন করি না কিন্তু এটা হচ্ছে সব থেকে বড় ভুল। কেননা ডিফল্ট ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড কোন কিছুতেই ব্যবহার করা ঠিক না। তাই খুব দ্রুত আপনি এটা পরিবর্তন করে নিন। কিভাবে করবেন? প্রথমে আপনি  রাউটারের কন্ট্রোল প্যানেলে যান> System Tools > Password এবং আপনি আপনার পাসওয়ার্ড ও ইউজার নেম টি পরিবর্তন করুন।

২। আমরা আরেক টা ভুল করি সেটা হচ্ছে আমাদের ওয়াই-ফাই এর পাসওয়ার্ড আমরা ছোট ও সাধারণ পাসওয়ার্ড দেয়। কিন্তু এটা মারাত্বক একটা ভুল, আপনার পাসওয়ার্ড আপনি কখনো ১৫ ওয়ার্ডের নিচে রাখবেন না। সেটার মাঝে অব্যশয় স্পেশাল কিছু ওয়ার্ড রাখবেন যেমনঃ .<.>?/’”;:[{]})([email protected]!$#%& এই গুলো, তাছাড়া আপনি upercase, lower case এই গুল ব্যবহার করবেন।

৩। অনেক সময় আমরা আমাদের রাউটারের Fairwall আনেবল করি না। কিন্তু এটা খুব জরুরি কেননা Fairwall হচ্ছে সব কিছু থেকে বাচানোর সুরক্ষা দেওয়াল, আর আপনি যদি সেটা আনেবল না করে থাকেন তাহলে বুঝতেই পারছেন আপনি কতটা বোকার মত করেছেন। তাই খুব দ্রুত আপনার রাউটারের fairwall টা আনেবল করে নিন।

৪। WPS ডিসেবল করে নিন। যদি আপনি আপনার রাউটার কে অফিসে ব্যবহার না করেন বা WPS এর যদি দরকার না থাকে তবে আপনি ভুলেও WPS Enable রাখবেন না।

৫। পাসওয়ার্ড ইনক্রিপশন হিসাবে আপনি WEP ভুলেও ব্যবহার করবেন না। WPA / WPA2 এই গুলোই এখন ভার্নেবল হয়ে গেছে, তাই নতুন ইনক্রিপশন আপডেট হিসাবে এসেছে WPA-PSK/WPA2-PSK। আপনি অব্যশয় এই এনপক্রিপশন ফরমেট টা ব্যবহার করুন।

কিভাবে আপনি স্টোং পাসওয়ার্ড সিলেক্ট করবেন?

অনেক সময় আমরা আমাদের পাসওয়ার্ড দেওয়ার সময় ছোট পাসওয়ার্ড দিয়ে ত্থাকি আর কারণ হিসাবে বলে থাকি আমার বড় পাসওয়ার্ড মনে থাকে না, কিন্তু এটা কোন যুক্তি সংগত কথা না।যদি না জেনে থাকেন কিভাবে শক্তিশালি পাসওয়ার্ড বানাবেন? কিছু স্টেপ আপনি ফলো করুন আশা করছি আপনি আপনার ওয়াই-ফাই টা অনেক সুরক্ষিত রাখতে পারবেন।

১। ১৫  টা ওয়ার্ডের নিচে কখনো পাসওয়ার্ড দিবেন না।

২। আপনার পাসওয়ার্ডে আপনি স্পেশাল ওয়ার্ড যুক্ত করুন কিছু, যেমনঃ [email protected]#$%^&*()_+}{][ ইত্যাদি

৩। নিজে নিজে পাসওয়ার্ডের একটা প্যাটান বানান, এবার সেই প্যাটান হিসাবে পাসওয়ার্ড দিন যেমনঃ আমার নাম Pappu, আমার GF এর নাম Arfin (শুধু শেখার জন্য দেওয়া হয়েছে এই নাম গুলো কাকতালিও) 😀 :p । এখন আমি আমার পাসওয়ার্ড হিসাবে যদি PappuArfinএইটা দিই তাহলে সেটা হবে বোকামি। কখনোই এমন পাসওয়ার্ড দিবেন না। আপনি আগে ভেবে নেই আপনার প্রিয় সংখ্যা কি? যেমন আমার 2 তাই আমি দিব P এর কাছে 2 তাহলে আমার পাসওয়ার্ড টা হচ্ছে 2a22uArfin কিন্তু আপনি যদি চান এটা দিবেন তাহলে আমি আপনাকে এটা রিকমান্ড করবো না কেননা আমি আরো সিকিউরিটি চাই। তাই আমি এবার এই পাসওয়ার্ডের সামনে, পেছনে, মাঝে সব জায়গা তেই কিছু স্পেশাল ওয়ার্ড দিব। কেননা আগেই বলা ছিল ১৫ ওয়ার্ডের নিচে পাসওয়ার্ড দেওয়া যাবে না। তাই 2a22uArfini এর সাথে কিছু যোগ করবো, Pappu > 2a22u এর আগে একটা ! ও একটা @ দেন। কেননা [email protected] এই ২ টা ওয়ার্ড ব্যবহার হয় Shift মেরে ১ও২ চাপলে তাহলে তো আপনার মনে রাখা সুবিধা। তাহলে পাসওয়ার্ড হচ্ছে [email protected] , এবার তাহলে আমি মনে রাখার জন্য Pappu ও Arfin এই ২ টা ওয়ার্ডের মাঝে + দিব। 😀 তাহলে পাসওয়ার্ড হচ্ছে [email protected]+Arfin কিন্তু আমাদের আরো একটা অক্ষর দিতে হবে যেহেতু আমাদের টার্গেট ১৫ তা আক্ষর তাই আমরা  আমাদের পাসওয়ার্ডের শেষে একটা ? বসায় দিব তাহলে আমার পাসওয়ার্ড হচ্ছে [email protected]+Arfin? এবার আপনি বলেন আপনার পাসওয়ার্ড মনে রাখা কি খুব বেশি ঝামেলা হয়ে গেল? আমি বলছি না যে আপনি এই প্যাটানে পাসওয়ার্ড বানান আমি শুধু আপনাদের বোঝানোর জন্য এমন টা দিয়েছি। আপনার প্যাটান আপনি নিজে তৈরি করুন।

ধন্যবাদ ভাল থাকবেন এবং আমার ইউটিউব চ্যানেল থেকে একটু ঘুরে আসবেন এবং কৃপণতা না করে প্লিজ সাবস্ক্রাইব করবেন।

আগামী পর্বে আবার দেখা হবে  পোস্টের মাধ্যমে যদি সামান্য উপকৃত ও কিছু জানতেশিখতে পারেন তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন ধন্যবাদ

 





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *